সামদানি হোসেন বাপ্পি
ঈদের দিনের ডাবল মার্ডারের আসামি দ্রুত সময়ে গ্রেফতার করায় এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করায় পুরস্কৃত হলেন ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানা।সোমবার জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার মাসুম আহম্মদ ভূঁইয়া এই পুরস্কার প্রদান করেন। কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ সহ টিম সদস্যরা এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।
এছাড়া মাদক উদ্ধার,মাদক ব্যবসায়ী নিয়মিত মামলার আসামি,চোর, ছিনতাইকারী,ডাকাত এবং আদালতের পরোয়ানা ও সাজাপ্রাপ্ত পলাতক দেখে গ্রেফতারে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ ধারাবাহিকভাবে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হানুল ইসলাম, শামীম হোসেন, ফাল্গুনী নন্দীসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ জানায়,ঈদের দিন ভোরে ময়মনসিংহ নগরীর ডি এন চক্রবর্তী রোডে অটো চালক হাবিবুর রহমান এবং পশ্চিমপাড়ায় রিক্সা চালক
সাদেক মিয়াকে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীরা ছুরিকাঘাতে হত্যা করে লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। এই দুই খুনের ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানা পৃথক মামলা হয়েছে।তাৎক্ষণিক কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দে নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ ফারুক হোসেন, এস আই নিরুপম নাগ,এস আই শাহ মিনহাজ উদ্দিন,এএসআই সৃজন চন্দ্র সাহার নেতৃত্বে পুলিশ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তিন জনকে ঘটনার ৮ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলো,অনন্ত কুমার দে,মামুন ওকাজী মোঃ মাহিন বাদশা। এদের মাঝে অনন্ত ময়মনসিংহ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ ও মামুন কমার্স কলেজের ছাত্র। অনন্তের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানার
মামলা নং- ২০ তাং-৯-১২-২০২০,ধারা -১৯৭৮সালের অন্ত আইনের ১৯ এ ধারার অন্ত মামলা চলমান রয়েছে। অন্য দুই আসামীর বিরুদ্ধে ও স্হানীয় ভাবে বিরুপ তথ্য পায় এবং তারা নেশাগ্রস্ত। তারা উভয় হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। গ্রেফতার কৃতরা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে রিক্সা ভাড়া করে কৌশলে কাঙ্ক্ষিত স্থানে নিয়ে একই ছুরি দিয়ে অটো চালক ও রিক্সা চালক দুই জনকে হত্যা করে তাদের সাথে থাকা টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেয়।এদুটি হত্যা মামলার তদন্ত কালে উপার্জনক্ষম এই দুই ব্যাক্তির মৃত্যুতে পরিবার দুটির আর্থিক দুরবস্থা ও মানবেতর অবস্থা পুলিশের চোখে পড়ে। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার এবং কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ ব্যাক্তিগত ভাবে মানবিক চিন্তা চেতনায় পরিবার দুটির অসহায়ত্বের বিবেচনায় তাদেরকে আর্থিক সহায়তার চিন্তা করেন। যৎসামান্য এই অর্থ পরিবার দুটির নামে পৃথকভাবে এফডিআর করে দেওয়া হয়।
