গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ খ্রি. ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার গণধর্ষণ মামলা নং-১৫(৪)২৪, ধারা-২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী/২০২০) এর ৯(৩)/৩০ তৎসহ ৩৪২/৩২৩/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড ১৮৬০ এর এজাহারনামীয় ০১ নং আসামী মোঃ শহিদুল ইসলাম (২২), পিতা-মোঃ রোকন মিয়া, সাং-সেকেন্দার নগর, থানা-তাড়াইল, জেলা-কিশোরগঞ্জ, এ/পি- জনৈক আলেয়ার বাড়ীর ভাড়াটিয়া, টিকাপাড়া বিজলী মহল্লা, বাজারের গলি, বস্তি বাড়ী, থানা-মোহাম্মদপুর, ডিএমপি, ঢাকার শুনানীর জন্য দিন ধার্য্য থাকায় দায়িত্বরত পুলিশ ঢাকার জজ কোর্ট হাজতখানা হতে গ্রেফতারকৃত আসামিসহ অন্যান্য আসামিদেরকে বুঝে নিয়ে সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকায় বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, ঢাকা আদালতের উদ্দেশ্যে রওনা করে। ঢাকা জেলার বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের উত্তর পার্শ্বের সিড়ির নিচে নিয়ে আসলে বর্ণিত আসামি শহিদুল ইসলাম সুকৌশলে হ্যান্ডকাপ খুলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ঢাকা জেলা পুলিশ কন্ট্রোল রুম এর মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে বেতার বার্তা প্রেরণ করা হয়।
ঢাকা জেলা পুলিশ কন্ট্রোল রুমের বেতার বার্তা প্রাপ্ত হয়ে র্যাব-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহের একটি আভিযানিক দল গণধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৩ মার্চ ২০২৫ খ্রি. রাত অনুমান ০১:৪০ ঘটিকায় অধিনায়ক, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর নির্দেশনায় র্যাব-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর একটি আভিযানিক দল নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা থানাধীন গোয়াতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গণধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি শহিদুল ইসলাম (২২), পিতা-মোঃ রোকন মিয়া, সাং-সেকেন্দার নগর, থানা- তাড়াইল, জেলা- কিশোরগঞ্জ, এ/পি- জনৈক আলেয়ার বাড়ীর ভাড়াটিয়া, টিকাপাড়া বিজলী মহল্লা, বাজারের গলি, বস্তি বাড়ী, থানা-মোহাম্মদপুর, ডিএমপি, ঢাকা‘কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে ডিএমপি, ঢাকার কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
