স্টাফ রিপোর্টার
রাজশাহী

রাজশাহী নগরীর মতিহার থানাধীন তালাইমারী বাদুড়তলা এলাকার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মা মো: আশুরা (৩৭) ও তার মেয়ে টুম্পা (১৮) কে গুরুতর আহত করার ঘটনা ঘটেছে @ রশিদ (৪৮) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। আশুরা হলো সাগর আলীর বউ।

১৪ই (রবিবার) আনুমানিক সন্ধ্যা ৬.০০ টার সময় এই ঘটনা ঘটান ১মং বিবাদী @ রশিদ (৪৮) নামে এক যুবক। বিবাদীদের সকলের বাড়ী তালাইমারী বাদুড়তলা এলাকায়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মো: আশুরা’র সাথে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ২নং বিবাদী লতা (৩০) খারাপ আচারণ করেন পরিশেষে আমাকে মারধর করেন এবং আমার ছোট মেয়ে এগিয়ে আসলে তাকেও মারধর করেন। পরে অনেক্ষন ঝামেলা করার ফলে গন্ডগোল করে নিজ বাসায় প্রবেশ করি। পর মূহুর্তে
১নং বিবাদী দেশীয় অস্ত্রস্বস্ত্র নিয়ে বাসায় প্রবেশ করে এবং আমাকে শারীরিক ভাবে হেনস্তা করেন। আমি মেয়ে মানুষ হিসেবে তার সাথে শক্তিতে পেরে উঠি না। একপর্যায়ে আমার বাসা থেকে নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার নিয়ে জ্বোর পূর্বক বাসা থেকে বের হতে চাইলে আমি বাধা প্রদান করি তখন বিবাদী আমাকে দেশীয় অস্ত্র স্বস্ত্র নিয়ে যেমন- লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে এবং সঙ্গে সঙ্গে আমার মাথা কেটে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। পরে আমাকে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি ধামকি প্রদর্শন করেন। বিবাদী আরও বলেন তোকে তো আজ রড দিয়ে মেরে রক্ত বের করেছি এরপর প্রানে মেরে ফেলবো এ কথা বলে বাসা থেকে চলে যায়।

পরবর্তীতে গুরতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) জরুরি ভাবে ভর্তি হয় এবং আমার মাথায় ৮ টি সেলাই পড়ে।

এই বিষয়ে স্বাক্ষী দিতে এলাকাবাসী উদ্যত হয়েছেন। যা অভিযোগে রয়েছে।

এই বিষয়ে মতিহার থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মো: মোবারক পারভেজ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। পরে অভিযোগের কপি পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *