গত ০৫ এপ্রিল ২৪ইং (শুক্রবার) মুক্তাগাছা উপজেলা বহিষ্কৃত যুব মহিলা লীগ সভাপতি ইসরাত জাহান তনু ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তার সকল কুকর্ম ধামাচাপা দিতে । এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ৬ এপ্রিল দুপুরে তনু’র স্বামী মো. খায়রুল ইসলাম মনি পাল্টা সাংবাদিক সন্মেলন করে তার নামে করা সকল অভিযোগ ও নির্যাতন বিষয় মিথ্যা ও মনগড়া বলে দাবী করেন । তিনি তনুর মিথ্যা অপবাদের প্রতিবাদেই সংবাদ সম্মেলন করছেন। তিনি বলেন তনুকে আমি বিয়ে করি ১ মার্চ ২০১৯ সালে। তাকে নিয়ে সংসার শুরু করি ঢাকা উত্তরার ১৩ নাম্বার সেক্টরে । তার অগোচরে সেখানেও তার স্ত্রী যুব মহিলালীগের বহিস্কৃত নেত্রী জান্নাত জাহান তনু শুরু করে তার লিলা খেলা । রানা, সবুজ ও জাহাঙ্গীর কতিথ বন্ধু নামক লোকদের সাথে । তার এসব কাহিনী স্বামীর কাছে ধরা পরে এবং তার অবর্তমানে রাতের আঁধারে তার রসিক নাগর রানা কে তার স্বামী সাজিয়ে বাসার মালিককে কল করে আমার ভাড়াকৃত বাসার সকল মালামাল নিয়ে তনু মুক্তাগাছা চলে আসে এবং মুক্তাগাছা মো. খায়রুল ইসলাম মনি’র ভাড়ায় থাকা বাসার মালিক নারায়ণ নামক ব্যাক্তির নিকট আগের স্বামী মেহেদীকে উপস্থাপন করে বাসা ভাড়া নেন, পরবর্তীতে আবার মো. খায়রুল ইসলাম মনি”র সাথে যোগাযোগ করে ক্ষমা চায়। মনি মাফ করে দিয়ে তাদের সকল খরচ বহন করে সুখ ও শান্তির আশায় আবার সংসার জীবন শুরু করেন। তনু’র সকল কুকর্মের কাহিনীর প্রমাণ মো.খায়রুল ইসলাম মনি’র কাছে আছে বলে জানান ।
গত ২১ আগষ্ট ২০২১ ইং দিবাগত রাতে মুক্তাগাছা নারায়ণের বাসার ২য় তলায় আপত্তিকর অবস্থায় আগের তালাক দেওয়া স্বামী মেহেদি ও তনুসহ হাতেনাতে ধরে ফেলেন মনি । তাদের আটক করলে বাসার মালিক নারায়ণ ও তৎকালীন মুক্তাগাছা থানার এস আই শরিফুল ইসলাম সহ অন্যান্য লোকজন এসে মেহেদিকে বাসা থেকে রের করে দেয় এবং তনু ও তার মা ক্ষমা চায় স্বামী মনির কাছে । তাদের সকলের কথায় তনুকে ক্ষমা করে দিয়ে সংসার আবার শুরু করেন । তনু তার লিলা খেলা বাড়াতে রাজনীতিতে যোগদেয় এবং অল্পকিছুদিনেই মহিলাযুবলীগের সভাপতি হন ।
এর কিছুদিনপরই ১৮ জুলাই ২০২২ ইং মো. খায়রুল ইসলাম মনিকে তালাক প্রদান করে তনু এবং ঐ দিনই আদালতে দেনমোহরের মামলা দায়ের করে । এ নিয়ে মুক্তাগাছার মেয়র সাহেবের বাসায় বসা হয়, কয়েকবার সেখানে তনু ও তার মা ভুল স্বীকার করে মাফ চায় এবং মেয়র মহোদয়ের নির্দেশনায় তনু তালাক প্রতাহার করে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে দিবাগত রাতে এবং পরদিন
মুক্তাগাছার মেয়র সহ সকলের সামনে আমন্ত্রিত অতিথি জেলা আহ্বায়ক বিলকিস খানম ও সিনিয়র যুগ আহ্বায়ক স্বপ্না খন্দকার, ইসরাত জাহান (তনু) কে সভাপতি ও তার ভাগিনী সোমা খাতুন কে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করেন।
স্বামী থাকা সত্বেও বর্তমানে ইসরাত জাহান তনু, একজন পুরুষে নয়, তিনি বহু পুরুষে আসক্ত । যার সর্বশেষ প্রমান হোটেল ঢাকা রিজেন্সী, খিলখেত (তাং ১০, ২১ শে ডিসেম্বর ২০২৩ ইং)। তনুর করা ১০ ও ২১ ডিসেম্বর ২৩ ইং তারিখের কুকর্ম ধামাচাপা দিতেই তিনি গত ১৬ জানুয়ারি ২৪ইং তারিখে তার পরকীয়া প্রেমিক নিশাতের সহযোগিতায় মো. খায়রুল ইসলাম মনির নামে মিথ্যা ধর্ষণের মামলা করে তনু ।
ডিভোর্সের বিষয়টা মো. খায়রুল ইসলাম মনি গত কয়েকদিন আগে জেনেছেন বলে দাবী করেন । এটা তনু গোপন করে রেখে ছিলো এবং গত ৩ এপ্রিল ২৪ ইং তারিখ সন্ধায় তার মামার বাসায় (ঢাকা) আলোচানার নামে ডেকে নিয়ে মো. খায়রুল ইসলাম মনি’র নিকট ২ লাখ টাকা চায় কমিটি ফেরত আনবে বলে । এ সময় ইশরাত জাহান তনু জানান, ১.৪০ হাজার টাকা কেন্দ্রে দিতে হবে, সাথে মন্ডা ও শাড়ী । সারা দেশে তনুর অপকর্ম ফাঁস হয়ে যাওয়া ঘটনাটি টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে।
