নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকায় আগামী ২৭ ও ২৮ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় রাজনৈতিক আয়োজন— ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক ভাবনা ও অর্থনৈতিক মুক্তি’ শীর্ষক সেমিনার এবং তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ। এই কর্মসূচিকে সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল বিভাগভিত্তিক সমন্বয় কাঠামো গঠন করছে।এই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহ বিভাগের সহ সমন্বয়কের দায়িত্ব পেয়েছেন দেশের প্রখ্যাত আইনজীবী ও জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক অঙ্গনের অভিজ্ঞ সংগঠক আশরাফ জালাল খান।অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ রাজনৈতিক যাত্রা আশরাফ জালাল খান একজন সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী। ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে যার পথচলা শুরু, একদম ওয়ার্ড ছাত্রদল থেকে শুরু করে থানা, মহানগর দক্ষিণের রাজনীতিতে দাপুটে বিচরণ শেষে তিনি ছিলেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-আইন সম্পাদক। পরবর্তীতে তিনি জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।বর্তমানে তিনি জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (ZRF)-এর লিগ্যাল এইড সেল-এর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর পেশাগত অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক দক্ষতা ও সাংগঠনিক মেধা বিবেচনায় তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।ময়মনসিংহে কর্মসূচির নেতৃত্বে প্রস্তুতি
এই আয়োজনের সহ-সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন শাকিল। তিনিও আন্দোলন সংগ্রামের পরীক্ষিত নেতৃত্ব, যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগের), এই টিমের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সাইদুর রহমান যিনি যুবদলের বিগত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তারা ময়মনসিংহ মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুর জেলার যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে আশরাফ জালাল খান, সাইদুর রহমান ও শাকিলের হাতে এই দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।এই বিষয়ে জানতে চাইলে আশরাফ জালাল খান বলেন,
“বর্তমান দুঃসময় থেকে মুক্তির পথ তরুণদের হাত ধরেই তৈরি হবে। রাজনৈতিক অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তির প্রশ্নে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে সামনে রেখে আমরা নতুন আন্দোলনের সূচনা করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন,

“জাতীয়তাবাদ একদিকে যেমন গণতন্ত্রের শক্ত ভিত্তি, অন্যদিকে তরুণদের স্বপ্নপূরণের প্ল্যাটফর্ম। এই সেমিনার ও সমাবেশ হবে আমাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির মাইলফলক।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনের পরবর্তী দমন-পীড়ন এবং বর্তমান অন্তঃবর্তীকালিন টানাপোড়েনের সময়েও যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের মাধ্যমে সংগঠিত এই কর্মসূচি একটি রাজনৈতিক নবজাগরণের বার্তা দিচ্ছে। ময়মনসিংহ বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে আশরাফ জালাল খানের মতো অভিজ্ঞ ও তৃণমূল সংযুক্ত নেতার নেতৃত্বে রাজনৈতিক ভাবনার নতুন যাত্রা জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের গতিকে আরও বেগবান করবে। কারণ মননের সেই অভিজ্ঞতা ও সম্যক যোগ্যতা আছে৷

উল্লেখ্য, ঢাকার এই আয়োজন শুধুমাত্র একটি সেমিনার নয়; এটি বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার ঘোষণার পটভূমিতে তরুণ নেতৃত্বের রাজনৈতিক সক্রিয়তা জোরদার করার একটি কৌশলগত কর্মসূচি হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *