উবায়দুল্লাহ রুমি
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই সহোদরের মধ্যে শুরু হয় বাগ্বিতন্ডা। একপর্যায়ে বড় ভাইয়ের দা’য়ের কোপে ছোট ভাইয়ের ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ছাড়াও ধারালো দা দিয়ে পেটে উপর্যুপরি কুপালে পেট কেটে ভুঁড়িও বেরিয়ে যায়। এসময় স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ঘটনা ঘটে রবিবার বিকেলে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নে। এ ঘটনার খবর পেয়ে অভিযুক্ত মকবুল হোসেনকে (৫০) আটক করেছে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় আহত বিল্লাল হোসেনের ছেলে সুজন মিয়া (২১) বাদী হয়ে তাঁর চাচা মকবুল হোসেনকে প্রধান আসামী করে চাচি সালমা খাতুন (৪৫)সহ তিনজনকে আসামি করে রবিবার রাতেই থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাছিনুর রহমান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর গ্রামের টান মলামারি এলাকার মৃত শাহেদ আলীর পাঁচ ছেলের মধ্যে দুই ছেলে মকবুল ও বিল্লাল হোসেনের মধ্যে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। পরে রোববার বাড়ির আঙ্গিনায় বেগুন গাছের চারা রোপণকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে বড় ভাইয়ের দা’য়ের কোপে ছোট ভাইয়ের ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ও ধারালো দা’য়ের কুপে পেট কেটে ভুঁড়িও বেরিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁদের গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে বিল্লাল মিয়াকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে মকবুলকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা হয়েছে। সোমবার গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
