নিরব হাসান
ময়মনসিংহ
গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার টাংগাব ইউনিয়ন এর দাওয়াদাই গ্রামের রাজাকার এর ছেলে সাইদুর রহমান ও বেলায়েদ হোসেন,মোঃ কবির হোসেন,(পিতা আক্কাছ আলী রাজাকার) ও মোঃ রবি মিয়া এলাকায় নানা ধরনের অপরাধ করে থাকে।জুয়া মদ গাজা নিয়ে তারা সর্বদা তৎপর। এরা নিরীহ মানুষের সাথে নানা ধরনের অত্যাচার করে থাকে।তার মধ্যে তাইজুল ইসলামের বাসায় হঠাৎ করে দা,ছড়ি,ডেগার,বল্লম বাশের লাঠি নিয়ে প্রবেশ করে বাড়িতে থাকা লোকজনের উপর হামলা করে ও ঘরে আগুন দেয়।তাইজুল ইসলাম দৌড়ে তার ভাইয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেয় ও প্রাণ বাঁচায়।তাইজুল ইসলামকে খুজে না পেয়ে বিবাদীগন তার বাড়িতে আগুন ধরাইয়া দেয় ও ঘরে থাকা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিতে আছাড় মারে।তার ছবিটি আগুনে ফেলে দেয়।এতে বঙ্গবন্ধুর ছবি অর্ধেক পুড়ে যায়।কয়েকজন মুক্তিযুদ্ধা এসে বাঁধা দেওয়ায় তাদেরকে অনেক মারধর করে।গোলাম রসুল নামে একজন মুক্তিযুদ্ধা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।মুক্তিযুদ্ধের সময় এই রাজাকার বংশের লোকজনই এলাকার বিভিন্ন বাড়িঘরে আগুন দেয়।এখন আবার এদের ছেলে মেয়েরাই এ দেশের মানুষের উপর নানা ধরনের অত্যাচার নির্যাতন করছে।এক বক্তব্যে এলাকার এক মুক্তিযুদ্ধা বললেন মুক্তিযুূৃদ্ধের সময় আক্কাছ আলী রাজাকার গোলাম মুক্তিযুদ্ধা রসূল এর বংশের ৫ জনকে পাক সেনাদের দ্বারা হত্যা করান ও সকল বাড়ি ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে। এলাকার অনেক লোকজনকে বাড়ি ঘর ছাড়া করান।সাইদুর রহমান ও বেলায়েতসহ সকলেই বিএনপি জামাতের সসন্ত্রাসী বাহিনী তাদের কাছে এলাকার লোকজন আজ অসহায়।এরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন সময় গালিগালাজ করে।আরও বলে এলাকার যদি সরকার পরিবর্তন হয় তবে আওয়ামী লীগের কোন লোক এই গ্রামে রাখবে। সব সময় বলাবলি করে আওয়ামী লীগ এর পরাজয় হবে।তাহারা এমন অত্যাচারী তাদের বিরুদ্ধে কেউ মামলা করতে গেলে তারা প্রাণে মেরে ফেলবে এই হুমকি দেয়।তাহাদের ভয়ে সহজে কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চায় না।কারন প্রাণের ভয় সবারই আছে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সু দৃষ্টি কামনা করছি।
