সাদিকুর রহমান
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার কাশিয়াপুকুর পুরাতন জামে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন আব্দুর রহমান নামের এক ব্যক্তিকে আজান দেওয়াকে কেন্দ্র করে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর ১টার সময় ওই ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় উক্ত মসজিদের মুয়াজ্জিন ও ইমাম আব্দুর রহমান দুপুরে যোহরের আজান দিতে যায়। আজান দেওয়া শেষে সুন্নত নামাজ পড়ার পর স্থানীয় আব্দুল জব্বার নামের আরেক ব্যক্তির সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে ইমাম আব্দুর রহমানের মাথায় কাঠের লাঠি দিয়ে সজোরে বাড়ি দেওয়া হয়। পরে স্থানীয়রা উক্ত মসজিদের ইমাম আব্দুর রহমানকে উদ্ধার করে উঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। আহত ইমাম আব্দুর রহমানের পিতার নাম মৃত লবীর উদ্দিন, ও অভিযুক্ত আব্দুল জব্বার স্থানীয় মৃত কছির উদ্দিন এর ছেলে। এবং তারা দুজনেই উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের কাশিয়াপুকুর গ্রামের বাসিন্দা। ওই ঘটনায় এলাকায় স্থানীয়দের মাঝে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনার পর ইমাম আব্দুর রহমানের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হবে বলে, জানান তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় দুলাল উদ্দিন মন্ডল নামের এক ব্যক্তি বলেন, আব্দুল জব্বার একজন খারাপ প্রকৃতির লোক প্রতিনিয়ত মানুষের সাথে ঝগড়া মারামারি নিয়ে থাকে। মসজিদের ইমামের সাথে প্রতিনিয়ত সে ঝগড়া করার চেষ্টা করে। ইমাম সাহেবকে বলে তুমি কেন এক মিনিট আগে আযান দিলে আবার বলে কেন তুমি দুই মিনিট পরে আযান দিলে। এভাবে ঝগড়া করার এক পর্যায়ে তার মাথায় আঘাত করে তাকে আহত করেন। মসজিদের সামনে রক্তের বন্যা বয়ে গেছে।
বদিউজ্জামান নামের আরেক ব্যক্তি তিনি বলেন, মসজিদের পাশে আমার বাসা। মসজিদে চিল্লাচিল্লি শোনে আমি তাড়াহুড়ো করে গামছা গায়ে দিয়ে বাহিরে যায় যে দেখি ইমাম সাহেবকে মেরে রক্তাক্ত করে ফেলে রাখা হয়েছে। আমার কাছে থাকা গামছা দিয়ে দ্রুত তার মাথা বেঁধে উঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার নিয়ে যাই।
এই বিষয়ে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি সাইদুর রহমান বলেন, দুই পক্ষ মারামারির পর থানায় অভিযোগ দায়ের করতে এসেছেন। ঘটনা তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *