শামীম তালুকদার, নেত্রকোণা
দুর্গাপুরের সীমান্ত এলাকায় বন্য হাতির তান্ডব শুরু হয়েছে। ভারত থেকে সীমান্ত এলাকা পেরিয়ে প্রায় ৪০ টি বন্য হাতি দুর্গাপুরের ফারংপাড়া ও বিজয়পুরে অবস্থান নিয়েছে।হাতির পাল প্রবেশ করায় আতংকে দিন কাটাচ্ছেন উক্ত গ্রামের মানুষজন।
উল্লেখ্য যে,এ সমস্যা সীমান্ত এলাকায় নতুন নয়।বেশ কিছুদিন যাবৎ হাতি ও মানুষ একে অপরকে তাড়িয়ে বেড়ালেও সমস্যাটির স্হায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেনি কেউ।প্রায়শই ঃ এসব এলাকায় লোকজন হাতির আক্রমণে হতাহতের শিকার হচ্ছেন। হাতির হাত থেকে ক্ষেতের ধানসহ বিভিন্ন ফসল রক্ষা করতে তাদের অনেকেই হাতির আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। কিছুদিন পূর্বেও ভারতীয় হাতি দলবদ্ধ ভাবে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় গ্রামগুলোতে প্রবেশ করে ফসল ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি করেছে। ঐ সময় হাতি তাড়াতে গিয়ে সাহেব আলী (৪৫) নামে এক কৃষক গুরুতর আহত হয়েছে। ৫/৬ মাস আগে হাতির আক্রমণে বুণেশ চিসিম (৬৫) এক কৃষকের মৃত্যু হয়। এবং আহত হয়েছিল আরো ২ জন।
আবারও ২ দিন ধরে বন্য হাতির পাল বাংলাদেশ সীমন্তে দেখতে পান স্হানীয় লোকজন। বন বিভাগ জানায় –ধান,কাঁঠাল খাওয়ার জন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ভারতীয় হাতির পাল।
এদিকে হাতির তান্ডব থেকে রক্ষা পেতে গ্রামের মানুষ মশাল ও টর্চ লাইটের আলো জ্বেলে, পটকা ফাটানো ও বিভিন্ন প্রকার শব্দ করে তাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে দুর্গাপুর রেন্জ কর্মকর্তা বলেন,হাতির তান্ডব থেকে রেহাই পেতে বাড়ির আশেপাশে কাঁটা জাতীয় গাছ লাগাতে হবে।পাশাপাশি গ্রামের মানুষকে সতর্ক থাকতেও বলেছেন।হাতির তান্ডবে আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তাও দেয়া হবে।
দুর্গাপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন,সীমান্ত এলাকায় মাঝে মধ্যে হাতীর উপদ্রব বেড়ে যায়।তিনি উক্ত এলাকার মানুষজন কে সতর্ক থাকতে বলেছেন।তিনি বলেন,বন্য হাতি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্হদের তালিকা করে সহযোগিতা করা হবে।
