বুলবুল আহমেদ
নেত্রকোনা
পরিবেশ ও জলবায়ু উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার । উন্নয়ন কাজের জন্য ইট বালু অন্যতম উপাদান।
প্রভাবশালী কুচক্রী মহল ও নিজেদের ব্যবসায়ী স্বার্থে নেত্রকোনায় পরিবেশ বান্ধবহীন ইট ভাটায় চলছে অনিয়মের মাঝে রমরমা ব্যবসা ।
নেত্রকোনায় নিয়মমাফিক মাত্র ৪ টি খলা তৈরি করছে ইট । খলার পাশে রয়েছে বসতঘর , স্কুল- মাদ্রাসা, বাজার ,শিশু শ্রমিক , শ্রমিকদের নিয়মিত বেতন ঘাটতি,নেই চিমনির উচ্চতা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ।প্রশাসনের নাকের ডগায় ছোট আকৃতির ইট উৎপাদন যেন দেখার কেউ নেই
স্থানীয় অভিযোগের পরেও সবকিছু ম্যানেজ করে জ্বলছে চুলায় আগুন, চিমনির ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন করে পরিবেশ নষ্ট করছে ।
হাওড় অঞ্চল খালিয়াজুড়ি ছাড়া ৯ উপজেলাতেই রয়েছে ইটের ভাটা ।
এদিকে সরকারি বিধিমালা ভঙ্গ করে তৈরি করছে ছোট আকৃতির ইট । নিয়ম অনুযায়ী কাঁচা ইট পুড়ানোর হলে তার আকৃতি হতে হবে, লম্বায় ১০ ইঞ্চি, চওড়ায় ৫ ইঞ্চি ও উচ্চতায় ৩ ইঞ্চি ।
জেলার প্রতিটি ইটের ভাটায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে , কেন্দুয়া উপজেলা,সদরের
DHAKA ব্রিকস, ,MBB ব্রিকস ও AST ব্রিকস সহ জেলার প্রতিটি ইটের ভাটায় তাদের পুড়ানো ইটের মাপ বা আকৃতি রয়েছে লম্বায় ৮.৫ ইঞ্চি , চওড়ায় ৪.৭৫ ইঞ্চি ও উচ্চতায় ২.৭৫ ইঞ্চি ।
এতে করে গড়ে এক গাড়িতে প্রায় ২৫০ টি ইট বেশী কিনতে হচ্ছে । ইটের সাথে বালু , সিমেন্ট ও শ্রমিক খরচ বেড়ে চলেছে ।ফলে গ্রাহকরা ইট উন্নয়ন প্রতারণার শিকার হচ্ছে আর বেড়েছে তাদের নির্মাণ ব্যয় ।
নেত্রকোনা জেলায় একমাত্র সদর উপজেলা বালী গ্রামে MHC ব্রিকস সঠিক নিয়মে তাদের ইট উৎপাদন করছে । সরেজমিনে দেখা যায়, MHC ব্রিকস এর পুড়ানো ইটের মাপ বা আকৃতি রয়েছে লম্বায় ১০ ইঞ্চি, চওড়ায় ৫ ইঞ্চি ও উচ্চতায় ৩ ইঞ্চি ।
নেত্রকোনার সচেতন মহল জানান , প্রতারণা বন্ধ করে ইটের আকৃতি সঠিকভাবে তৈরি করতে ভাটা মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান । এবং এ বিষয়ে তদারকি ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নেত্রকোনা জেলা ইট ভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক টিটু মাষ্টারের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি । নেত্রকোনার সাধারণ মানুষের দাবী , MHC ব্রিকসের মতো সকল ইট ভাটায় যেন সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী সঠিক আকৃতির ইট উৎপাদন করা হয়।
