স্টাফ রির্পোটার
মুন্সিগঞ্জ নার্সিং ইনস্টিটিউটের অফিস সহকারী আরিফের অনিয়মের শেষ নেই।তার অনিয়ম-দুর্নীতিতে ছারখার অবস্থা ওই নার্সিং ইনস্টিটিউটের।
দীর্ঘদিন ধরে সিন্ডিকেট করে নার্সিং ইনস্টিটিউটটি পরিচালনা করা হচ্ছে। ওই সিন্ডিকেটের হাতে সব অনিয়মই এখানে নিয়ম।
অভিযোগ রয়েছে অফিস সহকারী আরিফ ইনস্টিটিউটের কর্মচারীদের বেতন ভাতা, উৎসব ভাতা, ছাত্রী বৃত্তিসহ মাস্টার রোলে কর্মরত কর্মচারীদের নামে ভূয়া বিল ভাউচার করে এক লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, অফিস সহকারী আরিফের নেতৃত্বে ওই সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে নার্সিং ইনস্টিটিউটে এখন অনিয়মের মহোৎসব চলছে।সরকারী নিয়ম-কানুন নয় সিন্ডিকেটের নিয়মেই চলছে ইনস্টিটিউটের কর্মচারীরা।পুরনো অনিয়মের ধারাবাহিকতা চলছে সেখানে। কর্মচারীদের বেতন ভাতা, উৎসব ভাতা, ছাত্রী বৃত্তিসহ মাস্টার রোলে কর্মরত কর্মচারীদের নামে ভূয়া বিলসহ বিভিন্ন খাতে ভাউচারের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকার দুর্নীতি চলছে। কিন্তু এভাবে দিনের পর দিন নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে চাকুরীতে বহাল তবিয়তে থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ । ফলে দূনীর্তির মাএা আরও বেড়েই চলেছে। আরিফের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়া হয়।
অভিযোগে আরো জানা যায়, অফিস সহকারী আরিফ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষের কাছে কৌশলে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। বিশেষ করে হোস্টেলে বাড়তি সুযোগ সুবিধা ও ছাএীদের কোন সমস্যা হলে যেমন ছাএীরা কোন অপরাধ করলে বা বাড়তি ছুটি কাটালে ছাএীর অভিভাবক এর কাছে টাকা দাবি করে থাকেন। টাকা না দিলে কোন প্রকার পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পারবেনা বলে হুমকি দেন। এদিকে
ক্ষমতাসীন দলের লোক পরিচয়ে তিনি ঠিকমত অফিস করেন না।অফিস না করেও তুলে নিচ্ছে বেতন ভাতা সহ সকল সুবিধা।প্রিন্সিপালের সাথে কথা বললে জানা যায় যে আরিফ এরকম আরও অনেক কাজ করে।আমি মহিলা মানুষ তার সাথে ঝামেলায় জরাতে চাই না।কারণ আমি তার সাথে ঝামেলা করে পারব না।সিভিল সার্জন মুস্নিগন্জে যোগাযোগ করা হলে সে জানায় আমি দেখছি।কিন্তু সে কোন প্রকার ব্যবস্থা নেয় নি।তার বিরুদ্ধে কেউ কোন প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না তার বাবা নার্সিং অধিদপ্তরে জব করায় তার সাথে কেউ কথা বলতে পারে না।তার নাকি খুটির জোর অনেক শক্ত।
