মোঃ ইমরুল আহসান
শ্রীমঙ্গলে এক পর্যটকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার রাত ৮টায় উপজেলার ডলুবাড়ি এলাকার এক রিসোর্ট থেকে এ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ব্যক্তি হলেন নরসিংদী জেলার রায়পুর উপজেলার হাটু ভাঙ্গা এলাকার কামরুজ্জামান এর ছেলে শরীফুল ইসলাম (৪১)। বর্তমানে তিনি ঢাকা ভাটেরা এলাকার ৪০ নং ওয়ার্ডের,ফাঁসের টেক নামক স্থানে বসবাস করতেন।

জানা যায়,গত ২৫ আগস্ট শুক্রবার সকাল প্রায় ৮ টার দিকে চাঁদপুরের শাহারাস্তি উপজেলার খাসেরবাড়ি গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে মো. নুরুল আমিন রাব্বিসহ অজ্ঞাতনামা আরও মধ্যবয়সী ৩ জন পর্যটক লেমন গার্ডেন রিসোর্টে এর বৃষ্টি বিলাশের রুম নং-০৫ এ থাকার জন্য উঠেন। পরবর্তিতে তারা শনিবার রাত ১১ টার সময় রিসোর্ট ম্যানেজারকে রুম ভাড়া পরিশোধ করে জানান,তাদের দুই জন সাথি রুমে রয়ে গেছেন তারা রোববার দুপুরে চেক আউট করবেন বলে তারা রিসোর্ট থেকে বের হয়ে যান।

এ সময় তারা কৌশল করে ড্রাইভার পরিচয়ে এক জনকে নিয়ে মোট তিন জন চলে যান। রোববার হোটেল স্টাফ সহিদুল ইসলাম ও রুহান আহমেদ সংশ্লিষ্ট রুমে চেকিংয়ের জন্য গেলে রুমে নক করলে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে তারা জানালার দিকে দেখতে পায় একজন মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং রুমের ভেতর রক্তের দাগ দেখতে পায়।

ম্যানেজার কে তারা বিষয়টি জানায়। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশকে জানায়।

খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সন্ধ্যার দিকে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. মনজুর রহমান পিপিএম (বার) সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধতন কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত পুলিশ লাশ ঊদ্ধারসহ ঘটনার ক্লু উদঘাটনে তৎপরতা চালাচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা জনৈক নুরুল আমিন রাব্বি তার সংগীয় অজ্ঞাত নামা ২ জনসহ ২৬ আগস্ট রাত আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ টা থেকে ৯ টার ভেতর এর যে কোন সময় ওই ব্যক্তিকে কাঠের বর্গা দিয়ে মাথায় একাধিক আঘাত করে খুন করে। নিহত ব্যক্তির মাথায় ও মুখে আঘাতের কারনে মুখমন্ডল একেবারে বিকৃতি হয়ে গেছে।

এবিষয়ে মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মো.মনজুর রহমান পিপিএম (বার) বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করাসহ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এবিষয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে। ওই এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে তিনি জানান।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *