আরিফ রববানী
ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ছুরিকাঘাতে শাশুড়িকে হত্যার ঘটনায় মনির হোসেন (২৫) নামক জামাতাকে ২ দিনেই কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

শনিবার (৩ মে) দিবাগত রাত দুইটার দিকে কুমিল্লার সদর থানাধীন কোটবাড়ী এলাকা থেকে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) খাজেম মাহমুদ নেতৃত্বাধীন আভিধানিক টিম তাকে গ্রেপ্তার করে । মনির হোসেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার দুল্লা ইউনিয়নের হরিরামপুর গ্রামের মো. সেলিম মিয়ার ছেলে। নিহতের নাম ফজিলা খাতুন (৪৫)। তিনি একই গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিনের স্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (১ মে) রাতে মনিরের সঙ্গে স্ত্রী রুমার বাক বিতণ্ডার এক পর্যায়ে সে ছুরি দিয়ে স্ত্রীকে আঘাত করে। তার চিৎকার শুনে শাশুড়ি ফজিলা খাতুন এগিয়ে আসলে মনির শাশুড়ির পেটে ছুরিকাঘাত করে। পরিবারের লোকজন আহত অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফজিলাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি পিবিআই অ্যাডিশনাল আইজিপি, মোঃ মোস্তফা কামাল এর তত্ত্বাবধানে পিবিআই ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার এর সার্বিক সহযোগীতায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) খাজেম মাহমুদ মামলার তদন্ত শুরু করেন। তদন্ত কার্যক্রমের মাত্র দুই দিনেই তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন তদন্তের দায়িত্বে থাকা পিবিআই তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) খাজেম মাহমুদ নেতৃত্বাধীন আভিধানিক টিম।

পিবিআই ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার বলেন, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে মনির শাশুড়ি ফজিলাকে হত্যা করেছে। শাশুড়ি মারা যাওয়ার পর মনির গ্রেপ্তার এড়াতে পরিচয় গোপন করে কুমিল্লা সদর থানাধীন কোটবাড়ি এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
পিবিআই ময়মনসিংহ জেলার সকল অফিসার ও ফোর্সের আন্তরিকতা, নিরলস প্রচেষ্টা ও পিবিআই হেডকোয়ার্টার্সের সহযোগীতায় মাত্র দুই দিনের মধ্যেই হত্যাকান্ডের সহিত জড়িত প্রধান আসামী মনিরকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামী মনিরকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *