বুলবুল আহমেদ
নেত্রকোনা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমগ্র বাংলাদেশে প্রায় ৪৭ হাজার গ্রাম পুলিশ দেশের প্রত‍্যন্ত অঞ্চলে কর্মরত রয়েছে। এই গ্রাম পুলিশেরা সর্বদায় তৃণমূলের মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন রকম সেবা দিয়ে যাচ্ছে দিনরাত।
একজন গ্রাম পুলিশ এককথায় চব্বিশ ঘন্টাই ডিউটি করে থাকে। যখন যেখানে যার প্রয়োজন। কি ইউনিয়ন কি থানা, এমনকি পঞ্চায়েত দায় দরবার থেকে শুরু করে সমাজের নির্যাতিত মানুষের পাশে তাদেরকে পাওয়া যায় সবসময়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুঃখের বিষয়টি হলো এখনো তাদের বেতন ৬৫০০ টাকা। তাও আবার কখনও কখনও এই সামান্য বেতন হাতে পেতেও তিন মাস ছয় মাস অপেক্ষা করতে হয়। এ যেন সম্পূর্ণ শুভংকরের ফাঁকির মতো অবস্থা। এছাড়া তাদের এই বেতন দিয়ে যেখানে বর্তমানে একজন লোকের একমাস যেতে কষ্ট সাধ‍্য হয়ে যায়। সেখানে চার থেকে ছয়জনের একটি পরিবারের কি করুণ অবস্থা আশা করি এই মর্মান্তিক বিষয়টি আপনি সহ রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা আছেন সবাইকে খুবই চিন্তায় ফেলে দিবে। এছাড়া অবসর কালীন পেনশন রয়েছে তাদের পঞ্চাশ থেকে ষাট হাজার টাকার সমমান। এ যেন খুবই হ‍াস‍্যকর।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গতকাল ২ মে আমি জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। প্রেসক্লাবের সামনে দেখলাম। গ্রাম পুলিশদের একটি ব‍্যানার। তারা আজ চারদিন ধরে শান্তি পূর্ণ অনশন করছে। আপনার কাছে তাদের দাবি। তাদের চাকরি যেন জাতীয় করন করা হয়। আমিও মনে করি। ৪৭ হাজার গ্রাম পুলিশের চাকরি জাতীয় করন এবং বেতন বাড়ানো খুবই প্রয়োজন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত পনেরো বছর ধরে আপনার নেতৃত্বে সারা দেশজুড়ে শহর থেকে গ্রাম পযর্ন্ত যেভাবে পঞ্চমুখী উন্নয়ন হচ্ছে। সেই উন্নয়নের সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি করতে আপনার নেতৃত্বে গ্রাম পুলিশের চাকরি জাতীয় করন এবং বেতন বৃদ্ধি হলে যেমন আপনার করা উন্নয়ন গুলোতে অতি মাত্রা যোগ হবে যেন সোনায় সোহাগা। আমার ধারণা গ্রাম পুলিশের চাকরি জাতীয় করন হলে তাদের বেতন বৃদ্ধি হলে যেমন খুশি হবে ৪৭ হাজার পরিবার। তেমনি খুশি হবে দেশের মানুষ। আপনার প্রতি আমার বিশ্বাস আছে। আপনি দেশের সকল মানুষের আস্থার এক জ্বলন্ত প্রতীক। আশা করি আপনি গ্রাম পুলিশের চাকরি জাতীয় করন করে দিতে নির্দেশ প্রদান করবেন।
অথই নূরুল আমিন
কবি কলামিষ্ট ও রাজনীতি বিশ্লেষক।
৩ মে ২০২৪
মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *