স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী বাছাইকৃত সাথী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত শনিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির ময়মনসিংহ জেলা শাখার কার্যালয়ে দাওয়াত এবং প্রশিক্ষণে মজবুত হবে সংগঠন – জ্ঞানের আলোয় গড়বো সমাজ সফল হবে আন্দোলন এই শ্লোগানে উক্ত শিক্ষা শিবির শুরু হয়ে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত
দুইদিন ব্যাপী বাছাইকৃত সাথী শিক্ষা শিবিরের অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্য বলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাথীদের সর্বপ্রধান কর্তব্য হলো নিজের জীবণের পুনর্বিন্যাস সাধন করে মানুষের জীবনের পুনর্বিন্যাস সাধনের জন্য প্রচেষ্টা চালানো❞
শিক্ষাশিবিরে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় দাওয়া সম্পাদক মিসবাহুল করিম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ফখরুল আলম সিফাত।
আরো উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সংগ্রামী আমীর জননেতা আব্দুল করিম ও ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সাবেক ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান সোহেল।
এছাড়াও সাবেক জেলা সভাপতিবৃন্দ সহ বর্তমান বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, আল্লাহর এই জমিনে সকল প্রকার জুলুম ও নির্যাতনের মূলোচ্ছেদ করে আল কোরআন ও আল হাদিসের আলোকে নিজেদের জীবন গড়ার পাশাপাশি নিজেদের জান এবং মাল কুরবানী করার দৃঢ় প্রত্যয় মনের ভিতরে লালন করতে হবে। জান্নাতের বিনিময়ে আমরা আমাদের জান এবং মালকে যেহেতু আল্লাহর কাছে বিক্রয় করে দিয়েছি সেহেতু শাহাদাতের তামান্না নিয়ে সর্বোচ্চ ত্যাগ এবং কোরবানির নজরানা পেশ করতে হবে।
এছাড়া তিনি ছাত্রশিবিরের প্রত্যেক সাথী দের কে শপথের আলোকে তাদের জীবনকে অতিবাহিত করা এবং বাস্তব ময়দানে তার পরিপূর্ণতা দেওয়ার জন্য আহ্বান করেন।
সর্বশেষ প্রধান অতিথি দুই দিনব্যাপী বাছাইকৃত সাথী শিক্ষা শিবিরের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন এবং দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সাথী শিক্ষা শিবিরের পরিসমাপ্তি হয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও ময়মনসিংহ মহানগর সভাপতি শরিফুল ইসলাম খালিদ ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ফখরুল ইসলাম।
