স্থানীয় প্রতিনিধি
রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার ৫ মে সকাল ৫টা ৫৭ মিনিটে ভূকম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪.৩। এর উৎপত্তিস্থল ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায়।ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। এর আগে গত ৩০ এপ্রিল দুপুরে চট্টগ্রামে ৪.৬ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে সিলেট,ময়মনসিংহ,রংপুর,ঢাকা,কুমিল্লা ও পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু অংশ। ময়মনসিংহ বিভাগের পাঁচটি জেলা ভূমিকম্পের প্রবল ঝুঁকিতে রয়েছে।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন সাত বা আট মাত্রার ভূমিকম্প হলে তীব্র কম্পন অনুভূত হতে পারে। যা এই ময়মনসিংহ শহরের ভবন গুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ইমারত বিধিমালা না মেনে নকশা বহির্ভূতভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ, জরুরী সিঁড়ি না থাকা, ফায়ার সার্ভিস এর প্ল্যান বাস্তবায়ন না করা। এসব কারণে মাঝারি কম্পনে বহুতল ভবন গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নকশায় জরুরি সিড়িসহ ২টি সিড়ি নির্মানের উল্লেখ থাকলেও বেশিরভাগ বহুতল ভবনে একটি সিড়ি নির্মান করা হচ্ছে যা কোনো দুর্যোগ কালীন সময়ে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে ভয়াবহ মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হবে যেমন টা হয়েছিলো ২০১৩ সালে রানা প্লাজা দুর্ঘটনার সময়।
দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য ময়মনসিংহে বর্তমানে অনেক বহুতল ভবন নির্মাণ হচ্ছে যার বেশিরভাগই ইমারত আইন বিধিমালা এবং প্ল্যান অনুযায়ী ভূমিরূপ মেনে করা হচ্ছে না।
ভূগর্ভস্থ ফাটল বা চুত্যি থাকার কারণে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ময়মনসিংহ নগরীতে পরিকল্পিত নগরায়ন অত্যন্ত জরুরি। বড় ধরনের দূর্ঘটনা এড়াতে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
