নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লায় গুলি করে যুবলীগ নেতাকে হত্যার মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে প্রবাসে বসেই মামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার জিয়ারতকান্দি ইউপি স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাংবাদিক অলি হাসান।

উল্লেখ্য যে, গত ৩০ এপ্রিল রবিবার রাত ৮টার দিকে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর পশ্চিম বাজারে নিজ বাসার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা জামাল হোসেন (৪০) নামে এক যুবলীগ নেতাকে পরপর তিনটি গুলি করে হত্যা করা হয়। জামাল হোসেন তিতাস উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জিয়ারকান্দি নোয়াগাঁও গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে। তিনি গৌরীপুর পশ্চিম বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

ওই ঘটনার দুইদিন পর ৯জন এর নাম উল্লেখ করে এবং ৭/৮জনকে অজ্ঞাতনামা আসামীকে এজহারভুক্ত করে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি মামলা করা হয়। ওই মামলার এজহারে ৮নং আসামী হিসেবে সাংবাদিক ও জিয়ারতকান্দি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অলি হাসানকে অভিযুক্ত করা হয়।

প্রতিবাদে অলি হাসান জানান, আমি গত ৩মাস দেশের বাহিরে থাকার পরে ঈদ করার উদ্দেশ্যে গত ১৯ তারিখ দেশে গিয়েছিলাম। আমার রিটার্ন টিকেট ছিলো ৩০ এপ্রিল। সেদিন রাত ৮টা ৫৫মিনিটে যথারীতি আমি ৩ঘন্টা আগে বিমানবন্দরে পৌঁছে ইমিগ্রেশন শেষ করে বিমানে উঠার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের মাধ্যমে জানতে পারি জামাল খুন হয়েছে। আমি প্রবাসে চলে আসার ২দিন পর জানতে পারি আমাকে ওই ঘটনায় আসামী করে মামলা করা হয়েছে। যা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট, জামলের সাথে আমার বিরোধ ছিলো সত্য, কিন্তুু সে বিরোধের জেরে তাকে খুন করে ফেলতে হবে সেরকম কোনো বিষয় ছিলো না। রাজনৈতিক কিছু বিষয় এবং জামালের মাদক ব্যবসায় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা নিয়েই আমার সাথে তার বিরোধ চলছিলো। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাই, সকল তথ্য প্রমাণ যাচাই করে এব সঠিক তদন্ত করে আমাকে যেন এই মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *