মহিউদ্দিন তালুকদার,
নেত্রকোণা।

নেত্রকোণা সদর উপজেলার ৪ নং সিংহের বাংলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহসান সুমনের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমি একোয়ারের টাকা চেয়ারম্যান হতে উদ্বারের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেন,রায়দুম রুহী গ্রামের আ: রাজ্জাক তালুকদারের ছেলে রুবেল মিয়া। রুবেল মিয়ার মোবাইল নং- ০১৯০৫-৮৩৪৯৫৫। তিনি জেলা প্রশাসক বরাবরে ২৪মে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগ সূত্রমতে ও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,রায়দুম রুহী মৌজা বি আর এস খতিয়ান ১৩৬,বিআরএস দাগ নং,৯১,শ্রেণি -নামা,পরিমাণ ২৫ শতাংশ ভূমি শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় আ: রেজ্জাক তাং,আ: ছাত্তার,বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আ: হামিদ তাং, সর্বপিতা:মৃত সোবহান তাং, পঙ্গজ,সাজল, করিম, ইলাস উদ্দিন, মাহাবুর, হাবিব, শফিকুল এদের নামে উক্ত ভূমি একোয়ার হয়।
উক্ত ভূমি একোয়ার হওয়ার পর আ: রেজ্জাক তাং,আ: ছাত্তার,আ: হামিদ তাং,পঙ্গজ, সাজল, উনারা করিম, ইলাস উদ্দিন, মাহাবুর,হাবিব,শফিকুল এর পক্ষে না দাবী দেয়।না দাবী দেয়ার পর করিম,ইলাস উদ্দীন ,মাহাবুর, হাবিব,শফিকুল একোয়ারের টাকা উত্তোলন করে। ১৫,০০, ০০০/টাকার মধ্যে আপত্তি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। টাকা পাওয়ার পর আ: রেজ্জাক তাং,আ: ছাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আ: হামিদ তাং,পঙ্গজ,সাজল তাদেরকে চেয়ারম্যান এর মাধ্যমে টাকা বুঝিয়ে দিবে অঙ্গীকার করে। কিন্ত টাকা পাওয়ার পর করিম,ইলাসউদ্দীন, মাহাবুর,হাবিব,শফিকুলসহ মো: আ: খালেক ও ৪ নং সিংহের বাংলা ইউপি চেয়ারম্যান টাকা দেই – দিচ্ছি বলে তালবাহানা করে সময় ক্ষেপণ করছে। বর্তমানে এ টাকা না দেয়ায় আ: রেজ্জাক, আ: ছাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আ: হামিদ তাং, পঙ্গজ,সাজলের সমূহ ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। টাকা দাবী করায় এলাকায় চরম শত্রুতার সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানান তারা। মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে দেয়ার হুমকি প্রদান করে আসছে।
এ বিষয়ে নেত্রকোণা শহরের মোক্তারপাড়ায় সালিশী বৈঠকও হয়।।সালিশী বৈঠকে চেয়ারম্যান তাদের একোয়ারের টাকার সত্যতা স্বীকার করেন,যা ভিডিও চিত্রে ধারণ করা হয়ছে। তিনি দালালের পিছনে ব্যয় করেছেন,তাও স্বীকার করেছেন।
এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই তিনি চলে যান এবং পরে অভিযোগ কারীদেরও হুমকি ধামকি দেন। তিনি দেখবেন বলে হুমকি দেন। চেয়ারম্যান যিনি সকলের অভিভাবক, কিন্তু অভিযোগ কারীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে হুমকি -ধামকি দিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন বলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আ: হামিদের ছেলে টিপু জানান।
অভিযোগকারী সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক সুবিচার কামনা করেন। এবং তাদের টাকা যাতে করে ফেরত পান, সেই ব্যবস্হার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
এ বিষয়ে ৪ নং সিংহের বাংলা ইউপি চেয়ারম্যান আলী আহসান সুমনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান,এ বিষয়টি সুরাহা হয়েছে।
অপরপক্ষে, অভিযোগকারী বলছেন,সুরাহা হয়নি।অভিযোগারী তা তাদের পাওনা টাকা পাওয়ার জন্য লোকজনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *