জিলা স্কুল ছাত্রাবাস মাঠে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন, ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) এম.এ আকমল হোসেন আজাদ। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লুৎফুন নাহার। উক্ত ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সভাপতিত্ব করেন জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল সালাম।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বেলুন উড়িয়ে ১৭৩তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করা হয়। এরপর অলিম্পিক প্রতিযোগিতার আদলে মশাল প্রজ্জ্বলন ও মাঠ প্রদক্ষিণ করা হয়। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের উপস্থিতিতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠানটি সবাই উপভোগ করেছে।

প্রধান অতিথি বলেন, জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা একটা পরিবার। আমি এই ঐতিহ্যবাহী স্কুলে ১৯৭৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলাম, তাই স্মৃতিবিজড়িত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসতে পেরে উচ্ছ্বসিত। তোমরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার চর্চা করবে। খেলাধুলা শরীর ও মন উভয়কে প্রফুল্ল রাখে। বর্তমান অনলাইন যুগের আসক্তি থেকে বিরত রাখতে সহায়ক এই খেলাধুলা। এছাড়াও এটা নেতৃত্বদানে সক্ষম করে তুলে। জয় বা হার বড় কথা নয়, অংশগ্রহণই বড় কথা। যারা বিজয়ী হবে তাদের অভিনন্দন। এসময় তিনি জিলা স্কুলের ১০ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন এবং ৪ তলা বিশিষ্ট সার্ভিস রুম নির্মাণের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানান।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *