আবু তাহের
বকশিগঞ্জ প্রতিনিধি

৯ জুলাই (মঙ্গলবার ) জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলায় বগারচর ইউনিয়নে বগারচর গ্রামে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন ৪৫ বছরে এক বিধবা নারী, স্বামী গত হয়েছেন ৪ বছর আগে। হটাৎ বিধবা নারীর কোলে নবজাতক দেখে, নরেচরে বসে এলাকাবাসী। অভিযোগের আঙ্গুল উঠে এসেছে একই এলাকার বিএনপি নেতা মুজিবুরের উপর।
নবজাতক পাচ্ছে না পৈতৃক পরিচয়।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় – মুজিবুর রহমান সাবেক মৃত্যু কফিল উদ্দিন মেম্বারের ছেলে ।
বগারচর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক।

বিধবা নারী জানান, ৪ (চার) বছর আগে স্বামী মৃত্যুর হয়, স্বামী মারা যাওয়ার পরে,বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করি, ঘরে দুই সন্তান রয়েছে।
তারপর বিএনপি নেতা মুজিবুর এই বাড়িতে আসা যাওয়া শুরু করে।অনেক সহযোগিতা সাহায্য দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
বিধবা ভাতা , এনজিও, কর্মসূচির নাম দেওয়ার অজুহাতে তার সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলে, এবং দীর্ঘ দুই বছর যাবৎ শারীরিক সম্পর্কে করে আসতেছেন এতে তিনি অন্তঃসত্বা হলে বিধবা ভুক্তভোগী বিষয়টি মুজিবুরকে জানায়। বিধবাকে বিয়ের আশ্বাসে গর্ভের বাচ্চা ধারণ করে, ব্রন নষ্ট না করার পরামর্শ দেন মুজিবুর। গর্ভের অনাগত সন্তানের বিষয়টি গোপন রাখতে বলেন। বিগত ২ মাস আগে বিধবা নারী রোগাক্রান্ত হলে বিয়ের আশ্বাস দেন মুজিবুর, তবে তাকে বিয়ে করতে এখন অস্বীকার করেন তিনি। গত ০৯ জুলাই মঙ্গলবার বিধবা একটি মেয়ে সন্তান জন্ম দিলে বিষয়টি এলাকায় জুরে জানাজানি হয়।

ভুক্তভোগী আরো বলেন আমি যাতে প্রশাসনের কাছে না যাই সেজন্য আমাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে এবং এলাকাবাসীর মাধ্যমে ৯৫ হাজার টাকা আমাকে দেয়া হয়েছে আমি এই টাকা দিয়ে কি করব আমার সন্তানের পরিচয় যদি না পাই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে মুজিবুর একটি চরিত্রহীন, দীর্ঘদিন যাবৎ নারী কেলেঙ্কারি, প্রথম স্ত্রী তালাকের পর দুই সন্তানের মা বিয়ে করে, এর আগে আরো ৫ টি মেয়ে সঙ্গে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত ও জড়িত ছিলেন মুজিবুর,

এই বিষয়ে জানতে চেয়ে গনমাধ্যম কর্মীরা মজিবুর রহমানের বাড়িতে গেলে তিনি কোন কথা বলেননি।

এবিষয়ে বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর আহাদ খান জানান, বিষয়টি আমার জানা নাই। ভিক্টিম থানায় আসলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *