মোঃ আল ইমরান
গৌরীপুর,ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

গতকাল ২০ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত ১২ঃ০০ ঘটিকা পর্যন্ত টানা একদিনের ভারী বৃষ্টির কারণে গৌরীপুর উপজেলার ১নং মইলকান্দা ইউনিয়নের শ্যামগঞ্জ বাজারের পাশের অনেক বাসা বাড়ি দোকান পাট এবং পূর্বধলা উপজেলার ১১ নং গোহালাকন্দা ইউনিয়নেরও শ্যামগঞ্জ বাজারের পাশের অনেক বাসা বাড়ি,দোকান পাট ও ভূমি অফিস সহ সংলগ্ন আশ পাশের ৫০ থেকে ৭০টি,পরিবার ঘরবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতেছে।
উল্লেখ্য শ্যামগঞ্জ বাজারের অনেক বাসা বাড়ি দোকান পাট,গৌরীপুর উপজেলার ১নং মইলাকান্দা ইউনিয়নের অংশে রয়েছে। আবার
কিছু দোকান পাট শ্যামগঞ্জ বাজারের পূর্বধলা উপজেলার গোহালাকান্দা ইউনিয়নের অংশে অবস্হিত।
শ্যামগঞ্জ বাজার গৌরীপুর উপজেলাএবং পূর্বধলা উপজেলার দুই অংশে বিদ্যামান।

গত বৃষ্টির মৌসুমে ও শ্যামগঞ্জে বাজারে কাচারি সংলগ্ন ৫০ থেকে ৭০ টি পরিবারের যখন পানি বন্দী হয়ে পড়েছিল।
তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বেশ কয়েকটি পত্র পত্রিকা লেখালেখির কারণে এবং স্হানীয় নেতৃবৃন্দ যখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
তখন গৌরীপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহি অফিসার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন এবং কাচারির সামনে দিয়ে তাৎক্ষণিক পানি নামানোর নিস্কাশনের জন্য একটি কাচা ড্রেনের ব্যবস্থা করে দেয়। কিন্তু কিছুদিন পর কিছু কতিপয় ব্যবসায়ী মাটি ফেলে সেই ড্রেনটি আবারও মাটি ভরাট করে দেয়।

যার ফলে গতকাল ভারী বৃষ্টির বর্ষণের ফলে পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় আশেপাশে বাসা বাড়ি,দোকান পাট বাড়িগুলোতে অনায়াসে পানি ঢুকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
শ্যামগঞ্জ বাজারের বাসিন্দা,বিশ্বজিৎ
গৌরীপুরের জাতীয় দৈনিক” ভোরের ডাকের ” প্রতিনিধি মোঃ আল ইমরানকে অদ্য ২১ আগস্ট সাক্ষাৎকারে বলেন,আমরা ৫০ থেকে ৭০ পরিবার পানি বন্দি জীবন যাপন করতেছি। কোন জন প্রতিনিধি বা উপজেলা প্রশাসনের কেউ এখন পর্যন্ত সহযোগিতা করে নাই,তিনি দ্রুত ড্রেন ব্যবস্হা ঠিক করে জলাবদ্ধতা নিরসনে
জন প্রতিনিধি সহ গৌরীপুর উপজেলা প্রশাসন,পূর্বধলা উপজেলা প্রশাসনএবং শ্যামগঞ্জের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *