মিঠু মিয়া,,,,,, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:
শ্রমিকদের উন্নয়ন ও তাদের ভবিষ্যৎ কথা চিন্তা করেই বিভিন্ন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ। মানুষ বেঁচে থাকে তার কর্মে আর সেটাকে চিরঞ্জীব করতে ব্যক্তি হিসেবে বা সংগঠন কেন্দ্রীক হতে হয়। যেমন গাইবান্ধা জেলার রিক্সা ভ্যান ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্বে শ্রমিকদের আস্থালাভ করেছেন ওয়াসিম আলম। আলম ছোটবেলা থেকেই পরোপকারী ছিলেন। সাদা মাটা এই ব্যক্তিটা শহরের ভি এইড রোড ( মমিনপাড়া) ১৯৭৭ সালে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোহাম্মদ আবু সাইদ।
আলমের শ্রমিকদের নিয়ে কাজের শুরুটা ছিলো অনুকরণীয়। তার চিন্তা, মানসিকতা ছিলো সকলের উর্ধে। তাই তো তিনি তিন দৃশ্যপট বারের মধে ২ বার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পরবর্তীতে সফল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
সদরের কুপতলার রিক্সা চালক সাইফুল ইসলাম জানান, ওয়াসিম আলম ভাই অনেক ভালো মানুষ। তার মনটা উদার। সব সময় তাকে পাশে পাই। ভালোবাসা দেখতে পাই। তার মাঝে শুধু
আমাদের মধ্যে যাদের বয়স হয়েছে তাদের বয়স্ক ভাতার ব্যবস্থা করে দিয়েছে আলম ভাই । ছেলে মেয়েদের পড়াশোনায় সহযোগিতাসহ বিবাহতেও তার অবদান ভোলার মত নয়। তাবে চিকিৎসার ক্ষেত্রে তিনি এগিয়ে আসেন সর্বাগ্রে।
বল্লমঝাড় ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী শ্রমিক আঙ্গুর মিয়া বলেন, ওয়াসিম একজন ভালো লোক। তার মত উদার মনের মানুষ পেয়ে আমরা ধন্য।
এক বিশেষ বিবৃতিতে শ্রমিকনেতা ওয়াসিম আলম বলেন, আমার সংগঠনে প্রায় ৮ হাজারের মতো সদস্য আছেন। এদের মধ্যে ৭৬ জনের বয়স্ক ভাতার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এছাড়াও অফিস সংস্কার / উন্নয়ন, শ্রমিকদের চিকিৎসা, সন্তানদের শিক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা ইত্যাদিতে সাধ্যমত এগিয়ে আসি। জাতীয় সাংসদের মাননীয় হুইপ মাহবুব আরা বেগম গিনি এমপি’র সহযোগিতা এবং আদর্শকে অনুসরণ করে। আমার পথচলা। বাকীটা জীবন যেন আমি শ্রমিকদের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করতে পারি এমনটাই প্রত্যাশা।
