নীলফামারীর ডোমারে বিয়ের দাবিতে নবম শ্রেণির এক ছাত্রী অনশন শুরু করছেন প্রেমিক সুজন রহমানের বাড়িতে। প্রেমিকা বাড়িতে আসার খবরে লাপাত্তা প্রেমিক সুজন।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে উপজেলার হরিনচড়া ইউনিয়নের শেওটগাড়ী মাদ্রাসা পাড়া গ্রামে। প্রেমিকা স্থানীয় মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী। তাদের বাড়ি মাদ্রাসাপাড়া গ্রামে।

প্রেমিক একই এলাকার সামসুল হকের ছেলে সুজন রহমান। তিনি এবার মাস্টার্স পাশ করে চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানান, নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সাথে গত ৬/৭ মাস পূর্বে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে সুজনের। আর তারই সূত্র ধরে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেছেন মেয়েটি।

অনশনে থাকা ছাত্রী জানান, প্রায় ৭/৮ মাস আগে সুজনের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সম্পর্কের সুবাদে আমার সাথে সুজন বিভিন্ন জায়গায় দেখা করেন। সুজন জানিয়েছিলন, মাস্টার্স পরীক্ষা শেষে আমাকে বিয়ে করবেন। কিন্তু রেজাল্ট হওয়ার পর সুজন আমার সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দেন। স্থানীয়রা বিষয়টি জেনে ফেলায় আমি বাধ্য হয়ে তার সাথে কথা বলেই বৃহস্পতিবার বিকালে তাদের বাড়িতে চলে আসি। হয় আমার বিয়ে হবে, না হয় এখান থেকে আমার মরদেহ বের হবে। সুজন বিয়ে না করলে আ*ত্ম*হত্যা ছাড়া কোনো উপায় নেই বলেও তিনি জানিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এখানে আসার পর থেকেই আর সুজনকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না।

অভিযুক্ত সুজনের পরিবার জানান, সুজন বাড়িতে নেই। কীভাবে এত ছোট মেয়ে বাড়িতে বিয়ের দাবিতে এসেছে, তা বুঝতে পারছি না। আমরা বিষয়টি থানায় জানিয়েছি।

প্রেমিক সুজনের সাথে মোবাইলে কথা হলে তিনি বলেন, মেয়েটির সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এখন তার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। তার সাথে এমন কিছু হয়নি যে, তাকে বিয়ে করতে হবে। আমি তাকে বিয়ে করবো না। এতে কারো কিছু করার থাকলে করুক।

ইউপি চেয়ারম্যান রাসেল রানা অনশনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবরটি শুনেছি। দুই পরিবারের সাথে কথা বলে দেখি কি করা যায়।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *