মোঃ ইমরুল আহসান
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলীর নির্দেশ অমান্য করে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া খোকসা উপজেলা প্রকৌশলী দায়িত্ব বুঝে না দিয়ে অফিস চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। সোমবার সরেজমিন গেলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মচারীরা বেতন সীটে কে সই করবে বলে সংশয় প্রকাশ করেন।
জানা যায়, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার মাছুয়াঘাটা, ভবানীপুর, বামনপাড়া, মামুদানীপুর, বনগ্রাম ও রামনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের মোট এগার লাখ বরাদ্দ দেয়া হয়। বরাদ্দকৃত টাকার মধ্যে প্রায় তিন লাখ টাকা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের খোকসা উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ স্ব স্ব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সহযোগিতায় আত্মসাৎ করেন। বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় ২০২২ সালের অক্টোবরে দুদক উপজেলা প্রকৌশলী, স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এই ঘটনায় চলতি বছরের জুলাই মাসে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদকে সাময়িক বরখাস্ত এবং জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে কর্মরত সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলামের নিকট অফিসের সমস্ত দায়িত্ব পূণরায় নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত আব্দুস সামাদ অফিসের দায়িত্ব বুঝে না দিয়ে নিজেই দায়িত্ব পালন করছেন। এদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের খোকসা উপজেলায় কর্মরত অনেকেই এ মাসে তাদের বেতন সীটে কে সই করবেন বলে মন্তব্য করেন।
বিষয়টি জানতে সোমবার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের খোকসা উপজেলা প্রকৌশলীর অফিসে গিয়ে না পেলে মোবাইলে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করে পরিচয় পাবার সাথে সাথে কেটে দেন এবং পূণরায় আর রিসিভ করেননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন বিশ্বাস জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, আসলে বিষয়টি আমি খেয়াল করি নাই বা বুঝতে পারি নাই। ২/১ দিনের মধ্যেই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
