সামদানি হোসেন বাপ্পী
ময়মনসিংহ
সাব-রেজিস্ট্রার রাফায়েল ফাতিমীর নেতৃত্বে দ্রুত দলিল নিবন্ধন, দায়িত্ববোধে ইতিবাচক সাড়া_
ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নাগরিক সেবা সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা স্থানীয় জনগণের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। জমি রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে আসা সেবাপ্রার্থীরা বলছেন, অফিসের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও সেবামুখী মনোভাব আগের তুলনায় আরও দৃশ্যমান হয়েছে।
*দায়িত্ববোধে দৃষ্টান্ত সাব-রেজিস্ট্রার*
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সাব-রেজিস্ট্রার রাফায়েল ফাতিমী দক্ষতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দলিল নিবন্ধন কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা, সেবাগ্রহীতাদের প্রয়োজনীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান এবং অফিসের সার্বিক কার্যক্রম গতিশীল রাখতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বলে অনেকেই মত প্রকাশ করেছেন।
সেবা নিতে আসা কৃষক আব্দুল মজিদ বলেন, “আগে দলিল করতে ২-৩ দিন ঘুরতে হতো। এখন সাব-রেজিস্ট্রার ম্যাডাম সবকিছু বুঝিয়ে দেন, কাজও দ্রুত হয়। হয়রানি কমেছে অনেক।”
*কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা*
অফিসের প্রশাসনিক ও কারিগরি কার্যক্রমে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন সাব-রেজিস্ট্রি কেরানি মোহরা নুরুল ইসলাম ও আনিস। দলিল সংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই-বাছাই, সেবাপ্রার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান এবং অফিসের দৈনন্দিন কার্যক্রম সচল রাখতে তাদের ভূমিকার কথাও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়।
অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সমন্বিতভাবে কাজ করে সেবার মান উন্নয়নে অবদান রাখছেন। ফলে লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার ভোগান্তি কমেছে বলে সেবাপ্রার্থীরা জানান।
*স্থানীয়দের প্রত্যাশা*
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জমি সংক্রান্ত কাজ সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিষয়। এ ধরনের সেবায় দ্রুততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে জনগণের ভোগান্তি কমে এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায়। ফুলবাড়িয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বর্তমানে সেই ধরনের একটি ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে উঠছে।
তারা আরও বলেন, সরকারি অফিসে সেবার মান উন্নয়নে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে যারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন, তাদের উৎসাহিত করা হলে সেবার গুণগত মান আরও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক সংস্কৃতি নিশ্চিত করা গেলে সাধারণ মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবেন।
এলাকাবাসী আশা করছেন, ফুলবাড়িয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে জনগণকে আরও উন্নত ও মানসম্মত সেবা প্রদান করবেন। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য আরও বেগবান হবে।
