ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য প্রতিকূলতা, নির্যাতন ও দমন-পীড়নের মুখোমুখি হয়েও আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি। মাঠ পর্যায় থেকে উঠে আসা এই ত্যাগী নেতা আজ দক্ষিণ ময়মনসিংহের রাজনৈতিক অঙ্গনে সাহস, ত্যাগ ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তার বিরুদ্ধে প্রায় ৫০ টির অধিক মামলা দায়ের করা হয় বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান। একের পর এক মামলা, গ্রেপ্তার আতঙ্ক, প্রশাসনিক হয়রানি ও অব্যাহত নির্যাতনের মধ্যেও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। বরং দলের আদর্শ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সক্রিয় থেকেছেন দৃঢ়তার সঙ্গে।

রাজনৈতিক অস্থিরতার সেই সময়ে তার নাম কথিত “ক্রসফায়ার” তালিকায়ও ছিল বলে এলাকাবাসী ও সহকর্মীরা দাবি করেন। জীবন বাঁচাতে এবং পরিবারকে নিরাপদ রাখতে তাকে প্রায় দুই বছর আত্মগোপনে থাকতে হয়। কিন্তু আত্মগোপনে থেকেও তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন এবং আন্দোলন-সংগ্রামের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন নিরলসভাবে।

জেল-জুলুম, হামলা-মামলা, অত্যাচার-নির্যাতন—সবকিছু সহ্য করেও কখনো মনোবল হারাননি । তার রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি ধাপই ছিল সংগ্রামের, আর সেই সংগ্রাম তাকে আজ তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। রাজনৈতিক সংকট, সামাজিক সমস্যা কিংবা দলের দুঃসময়—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মীবান্ধব আচরণ এবং আপসহীন অবস্থান দক্ষিণ জেলা যুবদলকে আরও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করেন, পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন হলে ভবিষ্যতে আরও বড় দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবেন। রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি বাঁকে সাহসিকতা ও ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন—আদর্শের রাজনীতিতে ত্যাগ কখনো বৃথা যায় না।

ময়মনসিংহের রাজনৈতিক অঙ্গনে আজ তিনি একজন নির্ভীক, সংগ্রামী ও জনপ্রিয় যুবনেতা হিসেবে পরিচিত। বহু নির্যাতন, মামলা ও প্রতিকূলতা পেরিয়ে এখনও তিনি রাজপথে সক্রিয়—দল, গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকারের প্রশ্নে আপসহীন এক সাহসী কণ্ঠস্বর।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *