বুলবুল আহমেদ
স্টাফ রিপোর্টার
গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ইং বেখৈরহাটী বাজারে ফুটে উঠল ইতিহাসের এক অগ্নিময় মুহূর্ত। বিএনপি নেতা হাবীব কাঞ্চনের উদ্যোগে ফ্যাসিস্ট সরকারের মিথ্যা হামলা মামলায় কারা নির্যাতিত ২০ জন ত্যাগী নেতাকে বরণ করলো ফুলের মালা, অশ্রু, আর ভালোবাসার ঢেউ দিয়ে।
উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে ছিলেন দলপা ইউনিয়ন বিএনপি’র প্রধান উপদেষ্টা, প্রবীণ সংগ্রামী নেতা আলফাজ উদ্দিন মেম্বার। সঞ্চালনায় ছিলেন উদিয়মান যুবদল নেতা রায়হান আহম্মেদ রনি ও সুমন মাহমুদ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জনাব আলফাজ উদ্দিন মেম্বার ,কামরুল ইসলাম ,ইমরান হাসান রনি, তাছাড়াও বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন । যেখানে কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ছিলেন ত্যাগীদের শ্রদ্ধা জানাতে অনঢ়।
কারা নির্যাতিত নেতাদের কণ্ঠে ভেসে এল রক্তমাখা শপথ:
“আমরা ফ্যাসিস্ট সরকার বিদায় করেছি, এখন জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে এনে গণমানুষের সরকার প্রতিষ্ঠা করব। বিএনপি দেশকে ফেরাবে আলোর পথে।”
প্রধান অতিথি হিসেবে কেন্দুয়া বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান মুসলেম দৃপ্তকণ্ঠে ঘোষণা করেন:-
“দেশনায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র টিকবে না। আগামী জাতীয় নির্বাচনে জনগণের ভোটে বিএনপি আবারও গড়বে জনগণের সরকার।”
ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান জনাব হাবীব কাঞ্চনকে এমন একটি ব্যতিক্রম অনুষ্ঠান উপহার দেওয়ার জন্য।
উক্ত মহতি সংবর্ধনায় ছিলেন,
সোহরাব হোসেন মাস্টার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা কৃষকদল,
নাছিমা আক্তার মিনা মহিলা নেত্রী কেন্দুয়া উপজেলা ,
আঃ লতিফ বিল্টু সভাপতি ও
রুবেল মিয়া সাঃ সম্পাদক দলপা ইউনিয়ন ও অলি উল্লাহ মন্ডল, যুবদল নেতা।
উপস্থিত ছিলেন,টিটন মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপি সদস্য,
খাদিমুল ইসলাম মন্ডল, বিএনপি নেতা,
সিদ্দিকুর রহমান, যুবদল আহ্বায়ক,
কামরুল ইসলাম,
সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক, কেন্দুয়া বিএনপি।
আরো উপস্থিত ছিলেন,মোঃ এমদাদুল হক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, তাঁতীদল,
আল আমিন, সভাপতি, শ্রমিকদল,
ফেরদৌস মিয়া, বিএনপি নেতা,
এরশাদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক, মৎস্যজীবী দল,
দুলাল মিয়া বিএনপি নেতা ,
তোফাজ্জল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা,
কালা মিয়া কৃষকদল নেতা ,
রাকিব রানা, ছাত্রনেতা
আবুল বাশার বিএনপি নেতা।
যুবদল নেতা রুবেল মিয়া, হাবলু মিয়া, ফারুক মিয়া, মস্তু মিয়া ,জসিম মিয়া প্রমুখ।
তাঁরা প্রত্যেকে ছিলেন ইতিহাসের সবচেয়ে স্বৈরশাসকের নির্দয় হাতে বন্দি, অথচ যাঁদের চোখে আজও দীপ্তিমান হয়ে ওঠে স্বপ্নের স্বাধীন ভোরের সূর্য।
হাবীব কাঞ্চনের দুচোখের স্বপ্ন হলো দলপা ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন।
ত্যাগী বিএনপির নেতাকর্মীদের সংবর্ধনার স্থপতি, জনপ্রিয় বিএনপি নেতা, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির এই নেতা হাবীব কাঞ্চন তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি এক আলোকিত মানুষ ,সমাজ সেবক ,শিক্ষানুরাগী ও ছুলেমা মামুদ চেরিট্যাবল ট্রাস্ট্রের চেয়ারম্যান । শৈশব থেকে সেবাকে তিনি করেছেন জীবনের ব্রত।
হাবীব কাঞ্চন দৃঢ় প্রত্যয়ে উচ্চারণ করেন,
“আমরা তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করব, ঐক্যবদ্ধ হব। বিজয় ছিনিয়ে এনে আলহাজ্ব ডঃ রফিকুল ইসলাম হিলালীকে এমপি ও দেশনায়ক তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এই দেশ ও সমাজের উন্নয়নর পথ কে সুগম করবো। তাঁদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ উঠবে বিশ্বের দরবারে এক উন্নত বাংলাদেশ।”
মানুষের হৃদয়ে প্রশংসার জোয়ার ওঠে হাবিবুর রহমান কাঞ্চনের এই সহানুভূতি ও মহানুভবতা দেখে।
এই ব্যতিক্রমী সংবর্ধনা শুধু ফুলের নয়, এটি ছিল হৃদয় নিংড়ানো প্রেম, সময়ের স্রোতে কোধাই হওয়া এক অমর স্মৃতি। কেন্দুয়া থেকে নেত্রকোনা, আর নেত্রকোনা থেকে সারা এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে হাবিবুর রহমান কাঞ্চনের সুখ্যাতি। গণমানুষ বলছে ,এ এক নতুন সূর্যোদয় হয়েছে দলপা ইউনিয়ন বাসীর জন্য।যিনি অন্ধকারকে ভেদ করে মানুষ কে হাঁটবে চিরায়ত এক মুক্তির পথে।
কেন্দুয়ার সেই সন্ধ্যায়,বেখৈরহাটি বাজারের বাতাসে মিলছিল ফুলের সুবাস আর স্বাধীনতার গান, তখন ইতিহাস আবার লিখল নতুন পংক্তি। এটি শুধু একটি সংবর্ধনা নয়, এটি ছিল সত্যের জয়গান, ত্যাগের মহিমা উৎসব, আগামীকালের প্রতিজ্ঞা।
আর এই প্রতিজ্ঞার শিরায় শিরায় প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল এক অমর শ্লোগান,
“গণমানুষ জেগেছে, ফ্যাসিস্ট শৃঙ্খল ভাঙবে; বাংলাদেশ আবারও ফিরবে আলোর শিখরে।”
