রবিউল হক বাবু
ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
দালাল মুক্ত করতে কঠোর নির্দেশনা উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং থানা পুলিশের।

১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ফুলপুরে সরকারি হাসপাতালে দালাল নির্মূলে মোবাইল কোর্ট অভিযান করেন ফুলপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌরসভার প্রশাসক মোঃ মেহেদী হাসান ফারুক, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির,আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ আশরাফুল আলম সিয়াম , জুনিয়র কনসালটেন্ট এমেসেসিয়ারের গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোছাঃ তাহমিনা শারমিন সুমি , অজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রুমা রুমঝুম, শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোছাঃ রাবেকা সুলতানা , অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্বে থাকা নার্স সহ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত অফিসার বৃন্দ, সাময়িক গোয়েন্দা বাহিনীর কর্মরত সদস্যরা, পুলিশ সদস্যরা, মুক্তিযোদ্ধারা, আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ,ইলেকট্রনিক প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদিক,স্বেচ্ছাসেবক প্রমুখ।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌরসভার প্রশাসক মোঃ মেহেদী হাসান ফারুক বক্তব্যে বলেন,ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দালাল মুক্ত করতে এবার কঠোর ভূমিকা পালন করছেন প্রশাসন বিভাগ।

এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক বলেন,হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, প্রতিদিন কয়েকটি নামমাত্র ক্লিনিকের নিয়োগকৃত দালাল সারাদিন হাসপাতালে ঘুরাঘুরি করে। গ্রাম থেকে কোন রোগী হাসপাতালে আসলেই এসব দালালরা রোগীর অভিভাবকদের সহজ সরলতার সুযোগ নিয়ে ঐসব ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এতে টাকা খরচ হলেও সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা। আবার ক্লিনিকে রেখে প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় নানা রকম পরীক্ষা নিরীক্ষা করিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে সেই রোগীকেই পূনরায় হাসপাতালে ফেরত পাঠায়। এসব কারণে হাসপাতালে আসার রোগীদের সঠিক সময়ে সঠিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের লক্ষ্যে হাসপাতাল প্রশাসন দালালদের সতর্ক করে নোটিশ ঝুলিয়েছে। কিন্তু কাজ হয়নি। এবার হাসপাতাল প্রশাসন কঠোর হয়েছে। যেকোনভাবে হাসপাতালকে দালাল মুক্ত করতে পদক্ষেপ গ্রহন করছে।

এছাড়াও আরও বলেন,নির্ধারিত সময় ছাড়া হাসপাতালে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের ঘুরাঘুরি না করা, হাসপাতালের ভেতরে বেসরকারী এম্বুল্যান্সসহ প্রাইভেট কার রেখে পরিবেশ বিনষ্ট না করার জন্য কঠোর ভাবে নির্দেশ প্রদান করে নোটিশ লাগানো হয়েছে। হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ভিজিট, ক্লিনিকের দালালদের অবস্থা ও যানবাহন রাখা বন্ধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনেরও হুশিয়ারি নোটিশে প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *