নিজস্ব প্রতিবেদক
ফরিদপুর
ফরিদপুর-৩(সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ ১৫ জনের নামে দ্রুত বিচার আদালতে মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার( ৩ সেপ্টেম্বর)
জেলা আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন (দ্রুত বিচার) আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩০/৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ মামলার বাদি হয়েছেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক মো. দিলদার হোসেন সবুজ।
ওই আদালতের পুলিশ পরিদর্শক (কোর্ট ইন্সপেক্টর) আবুল খায়ের মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন, সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (৭৫), তাঁর ভাই সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর (৭০), শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার নাজমুল ইসলাম লেভী (৫৮), সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম জীবন (৩৫), সুপ্ত খান (২৮), সাদমান সৌমিক (২৭), অমিত সরকার প্রমুখ।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে শহরের গোয়ালচামট এলাকায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে শ্রদ্ধা জানাতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা ফুল দিতে যায়। ফেরার পথে ভাঙ্গা রাস্তার মোড়ে পৌঁছালে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নির্দেশে তাদের ওপর হকিস্টিক, লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়।
এ সময় সময় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের তৎকালীন আহ্বায়ক (বর্তমান জেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক) সৈয়দ জুলফিকার হোসেন ওরফে জুয়েলকে খুন করার উদ্দেশ্যে খন্দকার নাজমুল ইসলাম লেভী ও সাইফুল ইসলাম জীবন রামদা দিয়ে তার মাথায় কোপ দেয়। এরপর অন্যরা হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। হামলায় বাদিও আহত হন এবং আহতরা পালিয়ে থেকে চিকিৎসা নেন বলে উল্লেখ করা হয়।
মামলার বাদি পক্ষের আইনজীবী হাবিবুর রহমান বলেন, অভিযোগটি দ্রুত বিচার আদালতের মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিচারক নাসিম মাহমুদ আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোতোয়ালি থানায় মামলা রুজু করে তদন্তের জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ওসি মো. হাসানুজ্জামান বলেন, আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে শুনেছি। আদালত থেকে থানায় পাঠানোর পর মামলা রুজু করে তদন্ত করা হবে।
