মোঃ সোলায়মান হাওলাদার

বন্যায় কবলে পড়েছে কুমিল্লা সহ কয়েকটি জেলায় কয়েক লক্ষ মানুষ । পানিবন্দী মানুষ বন্যায় প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে মানুষের নানা স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হয়। শুধু যে বন্যাত্র মানুষই এ ঝুৃঁকিতে থাকেতা নয়, বন্যায় উদ্ধারকারী ত্রানকর্মী,স্বাস্থ্যসেবাদানকারী ঝুঁকিতে থাকেন।চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্যবিদদের সঙ্গে কথা জানা যায় বন্যা- পরবর্তী সময় পানিবাহিত রোগের প্রকোপ অনেক বেড়ে যায়। বন্যায় নিরাপদ পানির অভাবে অনেকেই খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে অনিরাপদ পানি ব্যবহার করতে বাধ্য হন।এই দূষিত পানি ব্যবহারের ফলে পানিবাহিত রোগ যেমন ডায়ারিয়া,কলেরা,টাইফয়েড কিংবা হেপাটাইটিস রোগের সংক্রমণ বেড়ে যায়।তাই সবার আগে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
বন্যায় পর বাড়ির আশপাশে পানি জমে থাকে।এই পানি মশার বংশ বিস্তারে ভূমিকা রাখে। ফলে ডেঙ্গু চিকনশুনিয়া,ম্যালরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। তাই বন্যা পরবর্তী সময় মশা থেকে সাবধান থাকতে হবে।ঘরবাড়ি সাতঁসেঁতে হওয়ার কারণে ত্বকে ছত্রাকজাতীয় সংক্রমণ বেড়ে যায়।
বন্যায় পানিতে চলাফেরা করা কারণে মানুষ শরীরে নানা জাতীয় চর্মরোগ দেখা যায়। খোসপঁচড়া বা চুলকানি জাতীয় অসুখ বেড়ে যায়।
এছাড়াও শিশুদের মধ্যে ভাইরাস নিউমোনিয়া বা ঠান্ডা জাতীয় রোগ বেশি দেখা যায়।এ সময় পানিবাহিত রোগের বিষয়ে আমাদের বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *