রেজাউল করিম রেজা
বিশেষ প্রতিনিধি (ময়মনসিংহ)
ময়মনসিংহ বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের পেসকার সামিউল হক মিঠু। তার সামাজিক অবস্থান ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করতে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় একটি চক্র। গত ৫ জুলাই তার বিরুদ্ধে স্থানীয় দুষ্ট চক্র সামাজিক ভাবে হের করতে ভাড়া করে লোকজন এনে মানববন্ধন করেন। যেমনটি করেছিল ২০১৫ সালে। এই চক্রটি দীর্ঘদিন সামিউল হক মিঠু’র বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করান। পেসকার সামিউল আলম মিঠুর দাদা জীবিত থাকতেই তাকে মৃত বানিয়ে ভূয়া জাল বণ্টননামা দলিল করে নেয় তার চাচা ভালুকা ভূমি অফিসে কর্মরত জারীকারক শামছুল হক। তিনি নিজ নামে খারিজ করে প্রতারনা আশ্রয় নেয়। শামছুল হকের ক্ষমতার অপব্যবহারের কারনে এলাকার সাধারন মানুষ অতিষ্ট। এলাকাবাসী জানিয়েছে, বিভিন্ন সময়ে ময়মনসিংহ বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের পেসকার সামিউল হক মিঠু’র বিরুদ্ধে তার চাচা শামছুল হক সাজানো নাটক তৈরী করেন। এমন জালিয়াতির খবর পেয়ে পেসকার মিঠুর ছোট চাচা রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে আদালতে জালিয়াতি মামলা করেন। বিবাদী করেন শামছুল হক গংকে । এই প্রতারণার মামলার সাক্ষী ছিলেন পেসকার মিঠুর বাবা। পরবর্তীতে বন্টননামা দলিল সম্পাদন হলে জালিয়াতি মামলাটি আসামী পক্ষগন অঙ্গিকারনামা দিয়ে মামলা নিষ্পত্তি করেন। বিবাদী শামছুল হক অঙ্গিকারনামা দেয়ার পর মামলা নিষ্পত্তি হলেও সঠিক বন্টননামা দলিল দৃষ্টে মামলার বাদী রফিকুল ইসলাম কে দখল বুঝিয়ে দেয়নি। নিজ দখলেই রেখে দিয়ে তার প্রভাব বিস্তার করছে। পরে মামলার বাদী রফিকুল ইসলাম ভূমি অপরাধ আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার নোটিশ পাওয়ার পর বিবাদী শামছুল হক ও তার বাহিনী বাদী রফিকুল ইসলামের বসত বাড়ীঘর ভাংচুর এবং কয়েক লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। যার ফলশ্রুতিতে আদালতে দ্রুত বিচার আইনে আরো একটি মামলা হয়। দ্রুত বিচার মামলায় পেসকার সামিউল হক মিঠু ও তার বাবা সাক্ষী ছিলেন বলে আজ তার ও পরিবারের উপর অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ আছে, মামলা তুলে নিতে বাদী ও সাক্ষীদের হয়রানি ও চাপপ্রয়োগ সৃষ্টি করছে।
সরেজমিনে জানা গেছে, পেসকার মিঠুর বাবা সরকারি চাকরী করতেন তিনি অবসরে গিয়ে অবসরের টাকায় নিজ জমিতে একটি একতলা বাড়ি করেছেন। বিভিন্ন মিডিয়ায় আসছে পেসকার বাড়ি করেছেন তা সত্য নয়।
এমনকি পেসকার মিঠুর নামে তেমন কোন সম্পদই নেই বলে জানান স্থানীয়রা ।
