মো : আবদুল হালিম
ঘুষ দুর্নীতির বরপুত্র ময়মনসিংহ বিআরটিএ সহকারী পরিচালক এ এস এম ওয়াজেদ হোসেন এর বিরুদ্ধে সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে বাজে আচরণের অভিযোগ করেছে সাধারণ গ্রাহক গন। ময়মনসিংহে বিআরটিএ এক গণশুনানির আয়োজন করে । যেখানে বিআরটিএ’র সেবাপ্রাপ্তির নানা বিষয়ে সংস্থাটির স্থানীয় সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন একাধিক গ্রাহক। এ ছাড়া বিআরটিএ অফিসে বিভিন্ন হয়রানির বিষয়গুলোও উত্থাপন করেন তারা। তবে অভিযোগগুলো লিপিবদ্ধ করে তা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন বিআরটিএ অ্যানফোর্সমেন্ট শাখার পরিচালক ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক। গত মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় বিআরটিএ অফিসের আয়োজনে টানা ২ ঘণ্টাব্যাপী এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ অ্যানফোর্সমেন্ট শাখার পরিচালক ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ’র বিভাগীয় উপপরিচালক সৈয়দ মেজবাদ উদ্দিন, সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাদ্দাম হোসেন, ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) এস এম মোহাইমেনুর রশিদ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার, সহকারী পরিচালক এ এস এম ওয়াজেদ হোসেন, সহকারী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম, উপসহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোফাজ্জল হোসেন, মোটরযান পরিদর্শক মো. রুহুল আমিন প্রমুখ।
শুনানিতে ভুক্তভোগী রাহেলসহ একাধিক গ্রাহক বলেন, ‘লাইসেন্সের ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন করে মাসের পর মাস ঘুরেও মিলছে না প্রতিকার।’
একই সঙ্গে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করে বিগত তিন থেকে চার বছর আগে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েও হচ্ছে না লাইসেন্স নবায়ন। এর ফলে অনেক গ্রাহক বছরের পর বছর ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও জানান কয়েকজন ভুক্তভোগী। সেই সঙ্গে মাসোয়ারা আদায়ের মাধ্যমে এ জেলায় প্রায় বিশ হাজারের অধিক সিএনজি অবৈধভাবে সড়ক-মহাসড়কে চলাচল করছে বলেও অভিযোগ করেন একাধিক শ্রমিক-কর্মচারী। সময় সহকারী পরিচালক এ এস এম ওয়াজেদ হোসেন বলেন, ‘বিগত ছয় মাসে মাত্র ৮টি সিএনজি লাইসেন্স নিয়েছে।’
এ সময় এক শোরুম কর্মকর্তা শুনানিতে বলেন, সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির কারণে আমার একটি ফাইল এখন খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না
