সামদানি হোসেন বাপ্পী
ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি আনন্দমোহন কলেজে আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার মধ্য দিয়ে
মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়। গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টায় কলেজ অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অনন্দমোহন কলেজের অধ্যক্ষ
প্রফেসর মোঃ আমান উল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কফিল উদ্দিন।
মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রেফেসর মোঃ নুরুল আফছার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ২৬ মার্চ উদযাপন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর শাহ্ মোঃ মঈনুদ্দীন। এছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রলীগের আহবায়ক শেখ সজল, যুগ্ন আহবায়ক ওমর ইসলামসহ কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী প্রমুখ। এ সময় সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আমান উল্লাহ বলেন আমরা হয়তো ২০ বছর পর বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে আর দেখতে পাবো কিনা তা সন্দেহ। তবে আমাদের নতুন প্রজন্মের সৌভাগ্য যে, বীর মুক্তিযোদ্ধারা এখনো বেঁচে আছেন, তাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য, রণাঙ্গনের সেই স্মৃতিগুলো তারা বর্ণনা করতে পারছেন। আমরা সেই বর্ণনাগুলো শুনতে পাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, সেই মহান মুক্তিযুদ্ধে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।৭২ সালে হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে একটি বটমলেস বাস্কেট হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন। তার কথা মিথ্যা প্রমাণিত করে বটমলেস বাস্কেট থেকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ পেয়েছি তাও সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধু সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রম ও দূরদর্শী নেতৃত্বে। আলোচনা শেষে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী ১২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে পুরুষ্কার তুলে দেওয়া হয়।পরে বাদ আসর কলেজ মসজিদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তার পরিবারের সদস্যসহ দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী সকল শহীদদের রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এর আগে সকালে নগরীর পাটগুদাম ব্রীজ সংলগ্ন স্মৃতিসৌধে সকল শহীদদের প্রতি সন্মান জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন কলেজের অধ্যক্ষসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ প্রমুখ।
