সামদানি হোসেন বাপ্পী
ময়মনসিংহ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক সৌমিত্র শেখর দে বলেন, স্বাধীনতার যুদ্ধ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন এক মোহনায় মিলিত হয়েছিল। ১৯৭১ সালে একটি জনযুদ্ধে পরিণত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু এদেশে উজ্জল তারার মত এসেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে একটি মানচিত্র হত না, একটি নতুন দেশ সৃষ্টি হতো না। যার কথায় এ দেশের সাধারণ মানুষ মুক্তি সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছিল। এই যুদ্ধের একটি বড় অংশ ছিল আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীরা। কিন্তু দেশকে মেধাশূণ্য করার লক্ষ্যে আমাদের দেশের মেধাবীদের ১৪ ডিসেম্বর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর ছোটবাজার মুক্তমঞ্চে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ময়মনসিংহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হারুন আল রশিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিবাহিনীর গ্রপ লিডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম দুলাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল আলম ঢালী, বীরমুক্তিযোদ্ধা জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুর রহমান আল হোসাইন, এডভোকেট নুরুজ্জামান খোকন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দসহ আরো অনেক বিশিষ্টজন আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন।
আলোচকগণ বক্তব্যে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি স্বাধীনতা যুদ্ধে পাক-হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত ঘটনাবলী এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাঁথার কিছু কিছু ইতিহাস সংক্ষিপ্ত আকারে আলোকপাত করেন।
আলোচনা সভার আগে এ দিবস উপলক্ষ্যে থানাঘাট বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয় এবং আলোচনা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
